THE MAN WHO WAS COMPARED FOR HIS DISCOVERS WITH SIR EIJACK NEWTON.




একদা  বেঞ্জামিন তার স্ত্রী কে বলেছিলেন - ডার্লিং ডেভি , আমার ইচ্ছে, মহানপ্রভু যীশু যদি দিনকে বর্তমানের  বোরো  দিতেন!সম্বভত তাহলেই আমি সম্ভবত কিছু অসমাপ্ত কাজ করে যেতে পারতাম।


১৭০৬ সালে  করা এই মহান বেক্তি বিজ্ঞান এ কিছু অভূতপূর্ভ অবদান রেখে গেছেন।
তার সম্পর্কে ধারাবাহিক আলোচনা করতে হলে অনেক কিছু জানানো দশকের।কিন্তু আজকে তার  সম্পর্কে  এমন সব কিছু জানা যাবে যা 'বিয়ন্ড সাইন্স।'




যুবক বয়সে তিনি নানা ব্যবসায়িক কাজে যুক্তহন।তিনি ফিলাডেলফিয়ায়  এসে 'পুয়োর রিচার্ডস এলমেক'প্রকাশ করেন। 
সেখানে কিহু উপদেশ বাণী প্রকাশ পেট. সেই পুঞ্জিকা থেকে কিছু উপদেশ বাণী-


*ঈশ্বর তাদেরই সাহায্য ওরেন,যারা নিজেকে সাহায্য করে 

*সকাল সকাল শয্যাগ্রহন এবং সকাল সকাল শয্যা ত্যাগ মানুষ কে স্বাস্থবান ,বিত্তশালী ও বুদ্ধিমান করে তোলে 

*আজকেই যা করতে পারো ,আগামী দিনের জন্য তা রেখে দিও না 

*রাতে একঘন্টা অধ্যায়ন,সারা রাত প্রার্থনার চেয়ে ও উত্তম।


ফ্র্যাংকলিন বিদ্যুৎ সম্পর্কে গবেষণার ফলে  বজ্রদন্ড আবিষ্কার  করেন।তিনি আবিষ্কার করেন যে- বিদ্যুতায়িত বস্তুর নিকট সুক্ষ অগ্রভাগ যুক্ত দন্ড  থাকলে ,দন্ড বস্তু থেকে বিদ্যুৎ টেনে নেয়। 


বেঞ্জামিন তার তরল 'তরল বিদ্যুতত্ব '   এ র  প্রদর্শনীর আয়োজন করেন। তিনি দুজন লোককে টুলের উপর দাঁড় কোরান।  কাচের  সাহায্যে তাদের ভূমির থেকে আলাদা করে রাখা হয়। একজনকে 'ধনাত্মক বিদ্দুৎ'দারা চার্জ  করা হলো,অর্থাৎ তার মধ্যে  'তরল বিদ্দুত  বেশি হলো। 
অপরজনকে 'ঋণাত্মক বিদ্দুতে দ্বারা চার্জ করা হয়। অর্থাৎ তার শরীরে বিদ্যুৎ হ্রাস  পেলো। 

যখন তারা একে অপরকে স্পশ করলো যখন তাদের মধ্যে চার্জ হয়ে গেলো এবং  উভয়ই ধাক্কা খেলো।    

 কারণ একজনের  তরল বিদ্যুৎ  ঘাটতি দূর করার জন্য অন্যজনের মধ্যে তা প্রবাহিত হয়। বিদ্যুৎ সঞ্চারিত বা চার্জ করা হয়নি এমন তৃতীয় বেক্তিও যদি যেকোন একজন কে স্পর্শ করে , তবে সে ও ধাক্কা খাবে। কারণ ঋণাত্মক চার্জ করা বেক্তির তুলনায় কম বিদ্যুৎ তরল বিদ্যুৎ রয়েছে। 


বেঞ্জামিন 'লেডেনপাত্র '(Layden jar) সম্পর্কে ও করেন। সে   সময় বৈদ্যুতিক চার্জ সংগ্রাহকরূপে সার্বজনিন ভাবে লেডেনপাত্রের বেবহার হতো। লেডেনপাত্র আসলে কাছের সাধারণ পাত্র।

তবে এর উপরিভাগে ধাতব আচ্ছাদন যুক্ত। পাত্রের ভিতরে পানি দিয়ে ভর্তি থাকে।  লেডেনপাত্রের ক্রিয়া বিশ্লেষণ করে ফ্র্যাংকলিন বিজ্ঞান জগৎকে চমকে দেন।  তিনি লেডেনপাত্র থেকে পানি ফেলে দিয়ে তাতে নতুন পানি।   লেডেনপাত্র তখন ও বিদ্যুতের চার্জ করা ছিল।  এভৱে তিনি প্রমান করেন যে ------'পানি নয়,কাছ এ বিদ্যুতের উৎস। '
কিন্তু আগে কার লোকেরা ভাবতো পানিটাই বিদ্যুতের উৎস। 
এসব পরীক্ষার ভিত্তিতে তিনি সমান্তরাল ' ক্যাপাসিটির 'পত্ উদ্ভাভন করেন,যা আজকের দিনের রেডিও টেলিভিশনে বেবহার করা হয়। 

তার  ''এক্সপেরিমেন্টস এন্ড অভিসেরভেশন ও ইলেক্ট্রেসিটি মেইড এট ফিলাডেলফিয়া ইন আমেরিকা ''

- গ্রন্থ গভীর পান্ডিত্ব  পূর্ণ। এই গ্রন্থে বিদ্যুৎ সম্পর্কে তার আবিষ্কৃত নীতিসমূহ বিশদ ভাবে আলোচনা করা হয়েছে। পৃথিবীর সমগ্র স্থানে এই গ্রন্থ বেপক সারা ফেলে। জার্মান,ফরাসি,ইতালির ভাষার প্রকাশিত হয়েছে গ্রণ্থটি প্রকাশের সাথে সাথে ই। 


বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীরা তার গ্রণ্থ কে স্যার আইজাক নিউটনের 'প্রিন্সিপিয়া '-র সঙ্গে তুলনা করেছেন। 



সে সময় একটি মেগাজিনে এ বলা হয় ''ডা: ফ্রানকলিনের গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ বিদ্যুতের ক্ষেত্রে প্রিন্সিপিয়া সৃষ্টি করেছে এবং সমান সহজ সহজ এবং   নিগূঢ় পদ্ধতির ভিত্তি গঠন করেছে। 


ফ্র্যাংকিঙ্কে তার  জন্য বৈজ্ঞানিক মর্যাদাময় স্থানে জায়গা দেয়া হয়। 

ফ্র্যাংকলিন লন্ডন আর ''রয়েল সোসাইটি'' এবং প্যারিস আর রয়েল একাডেমির  মেম্বার নির্বাচিত হন। 


বিদ্যুতের ' একক তরল '  তত্ত্ব তার এ অবদান। আজকের দিনে আমরা বলি যে- বিদ্যুৎপ্রবাহ আসলে ইলেক্ট্রন এর সমষ্টি- কিন্তু সত্যিটা হলো,'এখনো একক তরল ''তত্ত্ব ই কার্যকরী। 

যাবতীয় বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং বিজ্ঞান  গ্রন্থ , পত্র -পত্রিকা প্রকাশনের কাজ করেও তিনি জনকল্যানের জন্য সময় ব্যয় করতেন।মার্কিন বিপ্লব চলাকালে মহাদেশীয় কংগ্রেস টমাস জেফারসন ,জন এডামস এবং বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিনকে নিয়ে গঠিত কমিট-র উপর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের খসড়া তৈরির মহান দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। 

Benjamin Franklin


বিজ্ঞানী বেঞ্জামিন ফ্র্যাংকলিন আমেরিকার সামাজিক ও ইতিহাসের একজন কৃতিপুরুষ। 

অপরদিকে তার বিদ্যুৎ সম্পর্কিত তত্ত্ব তাকে বিশ্ব বিজ্ঞান ভুবনের দিকপালের আসনে সমাসীন করেছে সম্মানের সাথে এবং যা বিজ্ঞানের উর্ধে (#বিয়ন্ড সাইন্স )


Liked it? Take a second to support Fadewblogs on Patreon!
            


Drop Your Mail and Get Exciting Stuffs Delivered Straight To Your Inbox

* indicates required